সাম্প্রতিক সময়ে BTRC এর কিছু বলিষ্ঠ উদ্যোগ,
যা বাংলাদেশের আপামর সকল মোবাইল গ্রাহকদের হৃদয়ে স্বর্নাক্ষরে লেখা থাকবে:
১। সব প্যাকেজে ১০ সেকেন্ড পালস চালু করা।
2। সকল প্রকার কল সেটআপ চার্জ / ১ম মিনিট চার্জ প্রত্যাহার করা।
3। ১GB ইন্টারনেট প্যাক ১০০ টাকা এবং পরবর্তী ইন্টারনেট প্যাক এর সাথে অব্যবহৃত ডাটা ক্যারি ফরওয়ার্ড সুবিধা বাধ্যতামূলক রাখা।সকল প্রকার ইন্টারনেট প্যাক থেকে ফেয়ার ইউসেজ পলিসি বাতিল করতে হবে ।
এছাড়া,
মোবাইল ফোনের সব কলের চার্জ সমান করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট প্যাকেজের সকল মিনিট বা পালসের কলচার্জও সমহারে কাটতে হবে। এছাড়া, প্যাকেজে প্রতি মিনিট ও পালসের বিল এবং ভ্যাট আদায় বিষয়ক তথ্য সুস্পষ্টভাবে বিজ্ঞাপনে ও ওয়েবসাইটেউল্লেখ করতে হবে। গতকাল এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা সব মোবাইল ফোন অপারেটরের প্রতি জারি করেছে বিটিআরসি। নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতি পালস ও মিনিট প্রতি সর্বোচ্চ বিল আগে থেকেই বিটিআরসি’র কাছ থেকে অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে। তাছাড়া, প্রথম পালসে এক রকম আবার শেষের দিকে ভিন্ন হারে টাকা কাটা যাবে না। আগামী ১৫ই সেপ্টেম্বর থেকে এই নির্দেশনা কার্যকর হবে বলে বিটিআরসি’রপক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
অন্য চিঠিতে এখনই সব অপারেটরকে তিন দিনের মধ্যে কল সেট
আপ চার্জ আদায় বন্ধ করতে বলা হয়েছে।ওই নির্দেশ অমান্য করলে কমিশন সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেছে বিটিআরসি। এদিকে আজ বৃহস্পতিবার গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি ও সিটিসেল দ্বিতীয় প্রজন্মের (টু-জি) লাইসেন্স নবায়নের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা জমা দেবে। টু-জি লাইসেন্স নবায়নে চার অপারেটরেরস্পেকট্রাম ফি’র দ্বিতীয় কিস্তিতে ২৩২৫ কোটি ৪১ লাখ টাকা দেয়ার কথা। এর সঙ্গে ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট যোগ হলে আরও ৩৪৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা বাড়বে। মূল টাকায় গ্রামীণফোনের অংশ ১৫০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। বাংলালিংকের ৫৮৫ কোটি ৪৪ লাখ, রবি’র ৫৫৮ কোটি ৫০ লাখ এবং সিটিসেলের আরও ১৩০ কোটি ৫০ লাখ টাকা দেয়ার কথা। এর বাইরে আরও প্রায় ১১০০ কোটি টাকা বকেয়া পাওনা এবং লেট ফি দাবি করেছে বিটিআরসি। আগামী ১৫ই সেপ্টেম্বরের মধ্যে ১০ সেকেন্ড পালস চালু এবং কল সেটআপ চার্জ নেয়া যাবে না ।
( পোষ্ট- (Amor)






